১৭ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১:৫৬

জাতীয়

নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টাতেও আসেনি মালিক-শ্রমিক পক্ষ

দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের ন্যূনতমজুরির নির্ধারণে নিম্নতম মজুরি বোর্ডের ষষ্ঠ সভা আজ মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বেলা ১২টা পর্যন্ত বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সদস্যরা উপস্থিত হননি।

এ ছাড়া বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত আছেন। রাস্তায় যানজটের কারণে তাদের আসতে বিলম্ব হচ্ছে বলে কালবেলাকে তারা জানিয়েছেন।

আজকের সভায় মালিকপক্ষ তাদের পূর্ব প্রস্তাবিত ১০ হাজার ৪০০ টাকা পরিবর্তে নতুন মজুরি প্রস্তাব দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে নতুন প্রস্তাবে মালিক পক্ষ কত টাকা বাড়াবে সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য জানা যায়নি।

নিম্নতমজুরি বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আজকের সভায় মালিক পক্ষের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে আলোচনা শুরু হবে। আলোচনায় সব পক্ষ একমত হলে বিষয়টি গেজেটে আকারে প্রকাশ করার জন্য সরকারি ছাপাখানায় পাঠানো হবে। পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে কোনো পক্ষের আপত্তি থাকলে তা সুনানিরর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয় পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত সঙ্গে একমত হলে চূড়ান্ত গ্যাজেট প্রকাশ করবে। যা পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর হবে।

আজ পোশাক শ্রমিকদের মজুরি চূড়ান্ত হতে পারে

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম অনেক পুরোনো। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। যাদের সুঁই-সুতায় টুকরো কাপড় জোড়া লেগে তৈরি পোশাকের অর্থনীতি আজ সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা পেরিয়েছে, তারাই আজ আন্দোলন করছেন যৌক্তিক মজুরির দাবিতে। নিয়মানুযায়ী ৫ বছর পরপর শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ্যে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে আসছে সরকার। ২০১৮ সালের পর চলতি বছর সপ্তমবারের মতো এ বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বোর্ডের ষষ্ঠ সভায় আগামী ৫ বছরের জন্য তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য মজুরি চূড়ান্ত হতে পারে। তবে নিম্নতম মজুরি ঠিক কত টাকা নির্ধারণ করা হবে, সে বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলেও

মালিকপক্ষ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকার প্রস্তাব দিতে পারে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। তাই এবার ন্যূনতম মজুরি কত শতাংশ বাড়ানো বা কত হবে, সে দিকে তাকিয়ে আছেন ৪০ লাখ শ্রমিক ও তাদের পরিবারের আনুমানিকক ৫ কোটি সদস্য।

নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী মোল্লা কালবেলাকে বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির লক্ষ্যেই মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। মালিক-শ্রমিক মতপার্থক্য সব সময় ছিল। এখনো আছে। সেজন্য আমরা সব পক্ষকে বোর্ডে রেখেছি। আশা করছি, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি যৌক্তিক পর্যায়ে পৌঁছতে পারব, যা পরে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত হবে।

জানা গেছে, দেশের পোশাক কারখানায় কর্মরত শ্রমিক সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ। তাদের দাবি, মালিক পক্ষের ১০ হাজার ৪০০ টাকার মজুরির প্রস্তাব বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ২৩ থেকে ২৫ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে আন্দোলন করছেন। যদিও মজুরি বোর্ডে শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি ২০ হাজার ৯৯৩ টাকা মজুরি প্রস্তাব করেছেন, যা মানতে চাচ্ছে না মালিক পক্ষ। তবে আগের প্রস্তাব থেকে সরে এসে মজুরি বাড়াতে রাজি হলেও ঠিক কতটা বাড়ানো হবে, তা বোর্ড সভায় আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন মালিক পক্ষের প্রতিনিধি বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

অন্যদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, শ্রমিক, মালিক ও সরকার প্রতিনিধি মজুরি বোর্ডে বসে গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসতে হবে। সে ক্ষেত্রে মতপার্থক্য থাকলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে সমাধান হতে পারে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) গবেষণা বিভাগের প্রধান খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, শ্রমিকদের যে দাবি সেটি তাদের সমস্যা হিসেবে না দেখে বরং মালিক পক্ষের প্রস্তাবনার দুর্বলতা হিসেবে দেখা প্রয়োজন। মালিক পক্ষের প্রস্তাব যদি ডলার (মার্কিন) হিসাবে দেখা হয়, তাহলে ২০১৮ সালে ৮ হাজার টাকা। তখন ডলারের দাম ছিল ৮৪ টাকা। সেই সময়ে ৮ হাজার টাকায় ৯৪ ডলার হতো। এখন ১০ হাজার ৪০০ টাকা যদি মজুরি হয়—১১০ টাকা ডলার হিসাবে মজুরি দাঁড়ায় ৯৫ ডলার। অর্থাৎ মালিক পক্ষের প্রস্তাবে মাত্র ১ ডলার বেড়েছে। সুতরাং এ ধরনের প্রস্তাব কোনো ধরনের মূল্য বহন করে না। সেজন্য মালিক পক্ষকে একটি যৌক্তি প্রস্তাবনা দিতে হবে। যাতে সেটির ওপরে আলাপ-আলোচনা হয়। আর যদি সমস্যার সমাধান না হয়, সে ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলেও যেতে পারে।

নিম্নতম মজুরি বোর্ড ও নিম্নতম মজুরি কাঠামো: ১৯৮৬ সালের পোশাক শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ছিল ৬২৭ টাকা। ১৯৯৪ সালে তা ৪৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ বাড়িয়ে ৯৩০ টাকা করা হয়। এরপর ২০০৬ সালে ৭৮ দশমিক ৭১ শতাংশ বাড়িয়ে ১ হাজার ৬৬২ টাকা, ২০১০ সালে ৮০ দশমিক ৫১ শতাংশ বাড়িয়ে ৩ হাজার টাকা, ২০১৩ সালে ৭৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩০০ টাকা এবং ২০১৮ সালে ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

প্রবাসীদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন চেয়ে রিট

প্রবাসীদের জন্য জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছে আমেরিকায় বসবাস করা দুই প্রবাসী। রিট আবেদনের পক্ষে আইনজীবী হচ্ছেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম।

গত বুধবার (১ নভেম্বর) এই রিট করেছেন প্রবাসী আবুল কালাম আজাদ ও এস এম রফিকুল পারভেজ। রিট আবেদনে আসন সংরক্ষণের দাবিতে আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো একটি আবেদন নিষ্পত্তির ও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ১৫ অক্টোবর জনৈক আবুল কালাম আজাদ ও এস এম রফিকুল পারভেজ ‘প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী প্রবাসীদের মধ্যে থেকে নিয়োগ করাসহ জাতীয় সংসদে প্রবাসীদের জন্য নির্দিষ্টসংখ্যক আসন সংরক্ষণের আবেদন’ শীর্ষক একটি আবেদন লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব বরাবরে দেন।

মন্ত্রণালয়ে পাঠানো আবেদনে বলা হয়, আমরা আবুল কালাম আজাদ ও এস এম রফিকুল পারভেজ বাংলাদেশের নাগরিক আমেরিকা প্রবাসী, বাংলাদেশের রেমিট্যান্স যোদ্ধা। বাংলাদেশের সব মানুষের মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার সমগোত্রীয় এবং মৌলিক অধিকারের অন্তর্গত নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিক আইনগত সংবিধানগতভাবে সুরক্ষিত অধিকার সমানভাবে ভোগ করবে। কিন্তু প্রায় আড়াই কোটি প্রবাসী বাংলাদেশি অন্যান্য নাগরিকের মতো সমান সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন না।

আবেদনে আরও বলা হয়, রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের জন্য সংসদের আসন সংরক্ষণ না করাকে বৈষম্যমূলক আচরণ বলে। বৈষম্যমূলক আচরণ বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭, ২৮ ও ২৯ অনুচ্ছেদে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি । রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন। কিন্তু প্রবাসী ভাইবোনরা সমান অধিকার ভোগ করতে পারছেন না।

প্রবাসী ভাইবোনরা দেশে বিদেশে বহুবিধ সমস্যায় জর্জরিত। প্রবাসীদের কথা বলার জন্য মহান সংসদে কোনো প্রতিনিধি নেই। তাই প্রবাসীদের জন্যও সংসদে আসন সংরক্ষণ করা হোক। তাই প্রবাসীদের জন্য সংসদে নির্দিষ্ট আসন সংরক্ষণ করার আবেদন যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত আবেদন।

এই আবেদনে সাড়া না পেয়ে তারা ১ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন।

কানাডার স্বপ্নে নিঃস্ব বাচ্চুর পরিবার

ঢাকায় মুদি ব্যবসা করতেন বাচ্চু চৌধুরী। তার ছেলে মাস্টার্স পাস ইমতিয়াজ চৌধুরী ছিল বেকার। কানাডায় লাখ লাখ বেতনের সঙ্গে নানা সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখানো হয় তাদের। প্রস্তাবে রাজি হয়ে সম্পদ বিক্রি, ব্যাংক লোন এমনকি ধারদেনা করে ৭৫ লাখ দেন। ছেলে ইমতিয়াজকে ভুয়া কাগজপত্রও দেওয়া হয়। অন্যদিকে বাবা বাচ্চুকে কানাডার পরিবর্তে সৌদি আরবে নিয়ে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। কানাডায় যেতে না পেরে এভাবেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে পিতা-পুত্রের। পাশাপাশি নিঃস্ব হয়েছে গোটা পরিবার।

বাচ্চুর স্ত্রী আলেয়া খানম দৈনিক কালবেলাকে বলেন, এমনভাবে লোভ দেখানো হয়েছে, কিছুই বুঝতে পারিনি। স্বামী ও ছেলেকে কানাডায় পাঠাতে নিজেদের সম্পদ বিক্রি করেছি, লোনও নিয়েছি। এ ছাড়া আত্মীয়স্বজন ও অন্য মানুষের থেকে সুদে টাকা নিয়েও তাদের দিয়েছি; কিন্তু আমার স্বামীকে সৌদি আরবে নিয়ে জিম্মি করা হয়। তাকে নির্যাতন করে মুক্তিপণ নিয়েও শেষ পর্যন্ত কানাডা পাঠায়নি। এখন তার কোনো খোঁজই পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, সুখের জন্য তাদের কানাডায় পাঠাতে চেয়েছিলাম। ছেলে যেতে পারেনি আর স্বামীর কোনো খোঁজ নেই। যাদের থেকে টাকা ধার নিয়েছি, তারা প্রতিনিয়ত বাড়িতে আসছে। অনেক টাকা কিস্তি দিতে হয়। নিজেদের বাড়িতে থাকতে পারি না। তালা দিয় অন্যের বাড়িতে থাকি। এমন দুঃস্বপ্নের দিন আসবে কল্পনাও করিনি। ছেলে ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেন, অনেক স্বপ্ন ছিল ইউরোপ যাব; কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। বাবার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আমাকে কানাডার ভুয়া কাগজপত্র দেওয়া হয়। যে কারণে বিমানবন্দর থেকে ফিরে এসেছি। আমাদের সাজানো-গোছানো সংসার ধ্বংস হয়ে গেছে।

স্বামীর খোঁজ না পেয়ে গত ৪ অক্টোবর স্ত্রী আলেয়া খানম বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে ঢাকার মানব পাচার অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করেন। তার জবানবন্দি গ্রহণ করে উত্তরা পশ্চিম থানাকে আবেদনটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করতে নির্দেশ দেন আদালত। মামলার আসামিরা হলো রাজিব কাজী, বসির মাতুব্বর, কাজী আনোয়ার হোসেন, দিল আফরোজা রুনা, কাজী রুহুল আমিন ও জহিরুল ইসলাম। এর মধ্যে রাজিব ও জহিরুল কারাগারে রয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ১৭ আগস্ট রাজধানীর দক্ষিণ খান থানাধীন কে এ ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস অফিসে উপস্থিত হয়ে প্রতারক চক্রের মূলহোতা বসির মাতুব্বরকে ৮ লাখ টাকা দেন। পরে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকে ও নগদে মোট ৭৫ লাখ ৩৩ হাজার টাকা গ্রহণ করে চক্রটি। গত ১৫ মে তারা বাচ্চুকে কানাডায় পাঠানোর কথা বলে সৌদি আরবে নিয়ে যায়। সেখানে সৌদিপ্রবাসী কাজী আনোয়ার হোসেন ও তার লোকজন তাকে আটক রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। বাচ্চুর মাধ্যমে ফোন দিয়ে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না দিলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। নিরুপায় হয়ে আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে ৩ লাখ টাকা পাঠায় জিম্মির পরিবার। টাকা দেওয়ার পর এক সপ্তাহের মধ্যে কানাডায় পাঠিয়ে দেবে বলে আশ্বস্ত করে। তারপর বাচ্চুকে কানাডায় পাঠানো হয়নি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক মো. ফারুক মিয়া কালবেলাকে বলেন, ভুক্তভোগী বাচ্চু চৌধুরীকে সৌদি আরবে নিয়ে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। এ ঘটনায় মামলার পর দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব তথ্য-উপাত্ত নিয়ে তদন্ত চলছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন মানুষকে টার্গেট করে কানাডার নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখায়। পরে ফাঁদে ফেলে মুক্তিপণ আদায় করে। চক্রের মূলহোতা বসির দেশের বাইরে রয়েছে।

সৌদির উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলনে যোগ দিতে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।

স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে মদিনার প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা প্রধানমন্ত্রীর। এর আগে গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানান, সৌদি নারী সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যতম প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

এ ছাড়া মদিনায় অবস্থানকালে সন্ধ্যায় মহানবী (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত এবং ফাতিহা পাঠ করবেন শেখ হাসিনা। আগামীকাল সোমবার সকালে ট্রেনে জেদ্দার উদ্দেশে মদিনা ত্যাগ করবেন। সন্ধ্যায় সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি ওআইসি মহাসচিব হিসেন ব্রাহিম তাহা, ইরানের নারী ও পরিবারবিষয়ক বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট এনসিহ খাজালি, ওআইসি নারী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ড. আফনান আলশুয়াইবি এবং সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে শ্রমবাজার ও বিনিয়োগ গুরুত্ব পাবে।

সম্মেলনে যোগদানের পাশাপাশি তিনি ‘উইমেন ইন ইসলাম’ শীর্ষক প্রদর্শনীর উদ্বোধন এবং তার সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন। পরে জেদ্দা থেকে মক্কায় যাবেন এবং সেখানে ওমরাহ পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় দেশের উদ্দেশে মক্কা ত্যাগ করবেন। পরদিন ৮ নভেম্বর সকাল ৮টায় তাকে বহন করা বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।

২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরও ১০ প্লাটুন প্রস্তুত
বিএনপি-জামায়াতের দ্বিতীয় দফায় ডাকা টানা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও স্ট্যান্ডবাই রয়েছে আরও ১০ প্লাটুন।

রোববার (৫ নভেম্বর) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম। তিনি জানান, রোববার অবরোধের প্রথম দিন সকাল থেকে তাদের মোতায়েন করা হয়। এ ছাড়া স্ট্যান্ডবাই রয়েছে আরও ১০ প্লাটুন। ঢাকার পাশাপাশি তাদের সাভার ও গাজীপুর এলাকায় টহল দিতে দেখা গেছে।

এর আগে বিএনপি-জামায়াতের টানা তিন দিনের অবরোধেও বিজিবি ও বিজিবির বিশেষায়িত বিজিবি-র‌্যাপিড অ্যাকশন টিমের (র‍্যাট) সদস্যদের টহল দিতে দেখা গিয়েছিল। এদিকে শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত সাড়ে ১১ ঘণ্টায় ৯টি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম রোববার সকালে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রোববার সকাল ৬.৩০ পর্যন্ত ১২টি উচ্ছৃঙ্খল জনতা কর্তৃক আগুনের সংবাদ পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ঢাকা সিটিতে সাতটি, ঢাকা বিভাগে (নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর) দুটি, রাজশাহী বিভাগে (সিরাজগঞ্জ) একটি, বরিশালে (চরফ্যাশন) একটি, রংপুরে (পীরগঞ্জ) একটি ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৯টি (১০টি) বাস, একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয় পুড়ে যায়।’

ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকার গাউছিয়া মার্কেটের সামনে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মিরপুর লিংক নামের বাসে আগুন দেওয়া হয়। সন্ধ্যা সাতটা ৩৫ মিনিটে এলিফ্যান্ট রোডে গ্রিন ইউনিভার্সিটির বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া সন্ধ্যা সাতটা ৫৫ মিনিটে সায়েদাবাদের জনপথ মোড়ে রাইদা পরিবহনের বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

বাহিনীটি জানায়, রাত ১০টার দিকে গুলিস্তানের পাতাল মার্কেটের সামনে মনজিল পরিবহনের বাসে আগুন লাগানো হয়।

ঢাকার বাইরের আগুনের ঘটনাগুলো নিয়ে ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাত ১১টা ৪২ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় অনাবিল পরিবহনের বাসে আগুন দেওয়া হয়। রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ভোলার চরফ্যাশনের নতুন বাস স্ট্যান্ডে যমুনা এক্সপ্রেস নামে বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

গভীর রাতে ২টা ৫৫ মিনিটে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাদলপুরে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। রাত তিনটা ৫২ মিনিটে রংপুরের পীরগঞ্জের তিন রাস্তার মোড়ে গাড়ির পরিত্যক্ত টায়ারে আগুন দেওয়া হয়।

এদিকে রোববার ভোররাত চারটায় ঢাকার মাতুয়াইলের সাদ্দাম মার্কেটে বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। একই সময়ে জুরাইনের বালুর মাঠ এলাকায় তুরাগ পরিবহনের বাসে আগুনের ঘটনা ঘটে।

ভোররাত পাঁচটা ১৭ মিনিটে ঢাকার মিরপুর ৬ নম্বরে বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। সকাল ৬টা ২৪ মিনিটে গাজীপুরের ভোগরায় বাসে আগুনের ঘটনা ঘটে।

গাজীপুরে আতঙ্ক নিয়ে খুলেছে কারখানা

গাজীপুরে আতঙ্ক নিয়ে শিল্প কারখানা খুলেছে কর্তৃপক্ষ। আজ শনিবার সকাল থেকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে কাজে যোগ দিতে দেখা যায় শ্রমিকদের। এর মাধ্যমে ছয় দিন পর রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থায় থাকতে দেখা গেছে।

গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকার তুসুকা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক মাসুম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সকাল থেকে যাথারীতি কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকেরাও শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। এখন দিনটা ভালো যায় কি না, সেটিই দেখার বিষয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে সরকার নিম্নতম মজুর বোর্ড গঠন করে। গত ২২ অক্টোবর বোর্ডের চতুর্থ সভায় শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি ২০ হাজার ৩৯৩ টাকা ন্যূনতম মজুরি প্রস্তাব করেন। এর বিপরীতে মালিকপক্ষ প্রায় অর্ধেক বা ১০ হাজার ৪০০ টাকা মজুরির প্রস্তাব দেয়। পরদিন গত ২৩ অক্টেবর থেকেই মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক ও তেলিচালা এলাকায় শ্রমিকেরা আন্দোলন শুরু করে। পরবর্তী সময়ে আশুলিয়া ও সাভারে শ্রম অসন্তোষ ছড়ালে সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয় কলকারখানা।

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের সময় গাজীপুরের তিনটি কারখানায় অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া শ্রমিক বিক্ষোভ থেকে মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ি, সফিপুর ট্রাফিক পুলিশ বক্স, গাজীপুরের ভোগড়া এলাকাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। তবে আগের মতোই এখনো জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে।

গাজীপুর শিল্প পুলিশ বলছে, আজ সকালে জেলার সব কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কাজে যোগ দিয়েছেন। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কোথাও কোনো অসন্তোষের খবর পাওয়া যায়নি।

গাজীপুরে ভোগড়া এলাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানার প্রশাসনিক কর্মকার্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা কিছুটা ভয় নিয়েই কারখানা চালু করেছি। শ্রমিকদের মধ্যেও কাজ করার একটা আগ্রহ দেখা দিয়েছে। আশা করছি আর কোনো সমস্যা হবে না।’

গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা খোঁজ খবর রাখছেন। বিভিন্ন এলাকায় টহল দিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো ঝামেলার খবর পাওয়া যায়নি।

ব্রাসেলসে ‘গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম’ সম্মেলনে যোগদান পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার বিকেলে গণভবনেছবি: পিআইডি

খুনিদের সঙ্গে কিসের সংলাপ, সে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, সময়মতোই নির্বাচন হবে। কে চোখ রাঙাল আর কে চোখ বাঁকাল, তা নিয়ে পরোয়া করেন না।

ব্রাসেলসে ‘গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম’ সম্মেলনে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা জানাতে আজ মঙ্গলবার বিকেলে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে আসেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রশ্নোত্তরে এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) মিন্টো রোডের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৯ অক্টোবর) ফখরুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার(ডিসি) মো. ফারুক হোসেন।  তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকালকের পুলিশ হত্যা, আগুন, রাজারবাগ হাসপাতালে অগ্নিসংযোগসহ অন্তত ডজনখানেক মামলা হবে। এসব ঘটনায় যে কোনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

সকাল ৯ টা ৫০ মিনিটে বিএনপি মহাসচিবকে রাজধানীর মিন্টু রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়। এ বিষয়ে ডিবির এক কর্মকর্তা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে।

এর আগে বিএনপি মহাসচিবের আটকের বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে জানান দলের চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি বলেন, সকাল ৯টার আগে থেকে মহাসচিবের গুলশানের বাসার সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেয়। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ।

আটকের পর মির্জা ফখরুলের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম বলেন, সকালে ডিবি পুলিশের লোকজন বাসায় আসে, মির্জা ফখরুল ইসলামসহ বাসার সবার সঙ্গে কথা বলে। এরপর সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ হার্ড ডিস্ক নিয়ে ভবনের নিচে চলে যায়। ঠিক দশ মিনিট পর আবার ফিরে এসে মির্জা ফখরুলকে আটক করে নিয়ে যায় তারা।

তিনি আরও বলেন, মির্জা ফখরুল প্রচণ্ড অসুস্থ, তার চিকিৎসা চলছিল। এভাবে নিয়ে যাবে মেনে নিতে পারছি না, ৭৫ বছর বয়স্ক মানুষ। আশা করবো যদি জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়, তা করে যেন তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এদিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। বাঁশের মাধ্যমে ব্যারিকেড দিয়ে কার্যালয়ের সামনের অংশকে ক্রাইম সিন ঘোষণা করা হয়েছে। কাউকে ঢুকতে বা বের হতে দেওয়া হচ্ছে না।

সকালে নয়াপল্টনে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়য়ের প্রধান ফটকের সামনে ‘ক্রাইম সিন’ উল্লেখ করে কর্ডন টেপ দিয়ে মুড়িয়ে দিয়েছে সিআইডি। তার দুই পারে দাঁড়িয়ে রয়েছেন অসংখ্য পুলিশ সদস্য।

এর আগে শনিবার বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীসহ আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল সমাবেশ করেছে। এসময় পুলিশি বাধার মুখে বিএনপির নয়াপল্টনের মহাসমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। ধাওয়া খেয়ে নেতাকর্মীরা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে নয়াপল্টন ও পুরানা পল্টন মোড় এবং আশপাশের অন্যান্য স্থানে বিএনপি-পুলিশ-আওয়ামী লীগ ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনায় বিএনপির বহু নেতাকর্মীর পাশাপাশি পুলিশ ও সাংবাদিকরা আহত হয়েছেন।

এ সময় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটে। আমিনুল নামে এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যাও করা হয়। এ ঘটনায় পল্টন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

আগামীকাল সারাদেশে হরতাল ডেকেছে বিএনপি

আগামীকাল রোববার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে বিএনপি। শনিবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মহাসমাবেশ থেকে এ ডাক দেয় দলটি। 

Scroll to Top