৯ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১:৩৯

ফিচার

জাকারবার্গের সফলতার গল্প

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। তার পুরো নাম মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ। মাত্র ২০ বছর বয়সে ফেসবুক তৈরি করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন তিনি। তার এই সফলতার স্বপ্ন বুনেছিলেন ছোট থেকেই।

মার্ক জাকারবার্গের জন্ম-পরিচয়

১৯৮৪ সালের ১৪ মে নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেইন শহরে জন্ম নেন মার্ক জাকারবার্গ। তার মা ছিলেন মনোচিকিৎসক আর বাবা ছিলেন দন্তচিকিৎসক।

মার্ক জাকারবার্গের লেখাপড়া
ছোট থেকেই প্রযুক্তি আর সাহিত্যতে বেশ আগ্রহী ছিলেন জাকারবার্গ। আর্ডসেলি হাই স্কুলে গ্রিক এবং ল্যাটিন ভাষায় পারদর্শী হয়ে ওঠেন তিনি। পাশাপাশি বিজ্ঞান এবং ক্লাসিক্যাল শিক্ষায় পুরস্কৃত হন। অসি ক্রীড়া তারকাও ছিলেন মার্ক।

কলেজে পড়াকালে তিনি মহাকাব্যিক কবিতার লাইন থেকে আবৃত্তি করার জন্য পরিচিত ছিলেন।

পরে ক্লাসিক সাহিত্যে বিশেষ ডিপ্লোমাও অর্জন করেছিলেন। তবে সেখানেই থেমে থাকেননি মার্ক। বরাবরই ঝোঁক ছিল কম্পিউটারের প্রতি। সেই ঝোঁক থেকেই বিশ্বের অন্যতম নামকরা প্রতিষ্ঠান হার্ভার্ডে ভর্তি হন কম্পিউটার সায়েন্সে। সেখানেও তিনি অল্প সময়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তবে একজন ভালো ছাত্র হিসেবে নয়, একজন প্রোগ্রামার হিসেবে।

তার কাছে যে কোনো সফটওয়্যার তৈরি ছিল যেন বাঁ হাতের খেলা।

প্রোগ্রামিংয়ে তার আগ্রহ ছিল স্কুলজীবন থেকেই। মার্কের বয়স যখন প্রায় ১২ বছর, তখন তিনি অ্যাটারি বেসিক ব্যবহার করে মেসেজিং প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন। মার্ক যার নাম দিয়েছিলেন ‘জুকনেট’। যা দিয়ে পরিবারের সঙ্গে ভাব বিনিময়ের জন্যেও ব্যবহার করতেন।

মার্কের কম্পিউটারের প্রতি আগ্রহ দেখে তার বাবা-মা একজন ব্যক্তিগত কম্পিউটার শিক্ষক রাখেন। ডেভিড নিউমা নামের সেই শিক্ষক বাড়িতে এসে সপ্তাহে এক দিন মার্ককে কম্পিউটার শেখাতেন। মার্ক তার উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে থাকতে একটি এমপি থ্রি মিডিয়া প্লেয়ারও তৈরি করেছিলেন।
জাকারবার্গের পরিবার
জাকারবার্গের স্ত্রীর নাম প্রিসিলা চ্যান। ২০১২ সালে তাদের বিয়ে হয়। তাদের দুটি কন্যাসন্তান আছে। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে জাকারবার্গের প্রথম সন্তান মাক্সিমা চ্যান জাকারবার্গের জন্ম হয়। ২০১৭ সালের আগস্টে জন্ম হয় দ্বিতীয় সন্তানের। তার নাম রাখা হয় আগস্ট। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে জাকারবার্গ তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা ঘোষণা দিয়েছিলেন।

মার্ক জাকারবার্গ যেভাবে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন
২০০৩ সালের ২৮ অক্টোবর জাকারবার্গ ফেসম্যাশ ডটকম নামে একটি ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর ওই সাইটের জন্য নিজের কলেজের ডেটাবেজও হ্যাক করেছিলেন তিনি। পরে অবশ্য কলেজের শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে এই সাইট বন্ধ করতে বাধ্য হন জাকারবার্গ।

মূলত ওই ফেসম্যাশ ওয়েবসাইট থেকেই ফেসবুকের চিন্তা মাথায় আসে জাকারবার্গের। এরপর ২০০৪ সালে তার রুমমেট ও কম্পিউটারবিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্স এবং ক্রিস হিউজেসের সাহায্য নিয়ে ফেসবুক নির্মাণ করেন।

মার্ক জাকারবার্গ যখন ‘দ্য ফেসবুক’ নামে নতুন সাইটটি চালু করেন তার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ১ হাজার ২০০ জন শিক্ষার্থী এতে রেজিস্ট্রেশন করেন। প্রথমদিকে এটি শুধু হার্ভার্ড কলেজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলেও দুই মাসের মাথায় আরও এটি বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লীগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়।
ফেসবুকের বর্তমান অবস্থা
এখন সারা বিশ্বে সক্রিয় ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৩০০ কোটি। যারা মাসে একবার হলেও ফেসবুকে ঢুঁ মারেন। মার্ক জাকারবার্গ এখন মেটার মালিক। যার আওতায় ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপসহ আরও বেশকিছু প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। সবটির মালিকই ৩৮ বছর বয়সী জাকারবার্গ। এক সময় বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় উপরের দিকে থাকলেও এখন তার অবস্থান ১৬তম। ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, জাকারবার্গের মোট সম্পদের পরিমাণ ৬৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এইচটিটিপিএস আপগ্রেডস সুবিধা চালু করেছে গুগল ক্রোম

বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার সময় ওয়েব ঠিকানার শুরুতে এইচটিটিপি (হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল) বা এইচটিটিপিএস (হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল সিকিউর) লেখা দেখা যায়। এইচটিটিপি ঠিকানার ওয়েবসাইটের তথ্য এনক্রিপটেড করা থাকে না, ফলে তথ্য অরক্ষিত থাকে। তাই ব্যবহারকারীদের নিরাপদ রাখতে এইচটিটিপি ঠিকানার ওয়েবসাইটকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এইচটিটিপিএস ফরম্যাটে রূপান্তর করে দেবে গুগল ক্রোম। নতুন এ সুবিধা দিতে ‘এইচটিটিপিএস আপগ্রেডস’ সুবিধাও চালু করেছে ব্রাউজারটি।

গুগলের তথ্যমতে, নতুন এই সুবিধা চালুর ফলে এইচটিটিপি ঠিকানার ওয়েবসাইটে থাকা তথ্যগুলোতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এইচটিটিপিএস ইউআরএল যুক্ত হয়ে যাবে। এর ফলে ব্যবহারকারীরা নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারের পাশাপাশি বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

নতুন এ সুবিধা চালুর বিষয়ে গুগল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান ক্রিস থম্পসন জানিয়েছেন, গত জুলাই মাস থেকে নির্দিষ্টসংখ্যক ব্যবহারকারীর ওপর এ সুবিধার কার্যকারিতা পরখ করা হচ্ছিল। এখন সব ব্যবহারকারীর জন্যই এ সুবিধা উন্মুক্ত করা হয়েছে।

সূত্র: ব্লিপিং কম্পিউটার

কম্পিউটারে খেলা যাবে মোবাইল গেম

মোবাইল গেমিংয়ের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ফলে, যারা নিয়মিত গেম খেলেন তারা পছন্দের গেমগুলো বড় স্ক্রিনে খেলার জন্য থার্ডপার্টির অ্যাপ ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন। এই অ্যাপগুলো মোবাইল গেমগুলোকে কম্পিউটার বা টিভির মতো বড় স্ক্রিনে চালানোর সুবিধা দেয়। ফলে, গেম খেলোয়াড়রা আরও বাস্তবধর্মী এবং আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারেন।

এমন অবস্থায় পার্সোনাল কম্পিউটারে গুগল প্লে গেমসে মোবাইল গেম খেলার পুরো প্রক্রিয়া ও ইউজার এক্সপেরিয়েন্স অনেক সহজ ও উন্নত করেছে গুগল। চলতি মাসেই ব্যবহারকারীদের কাঙ্ক্ষিত তিনটি ফিচার চালু করেছে গুগল। এতে পিসিতে ফোরকে ও কন্ট্রোলারের সঙ্গে গুগল প্লে গেম খেলা আরও সহজ হয়েছে।

গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে, পিসিতে প্লে গেমস এখন ফোরকে গেমিং সাপোর্ট করবে। ব্যবহারকারীরা যে কোনো গেমে শিফট+ট্যাব বাটন প্রেস করে গেমের রেজোলেশন পরিবর্তন করতে পারবেন। এই শর্টকাটটি গেম এবং ইউজার যে ডিভাইসে খেলছেন সেটি দ্বারা সমর্থিত সব রেজোলেশনের একটি তালিকা প্রদর্শন করবে৷

গুগল প্লে গেমস-এ আসা আরেকটি গেমপ্লে আপগ্রেড হল কন্ট্রোলার সাপোর্ট। নির্বাচন করা গেমগুলো এখন সনি ডুয়েলশক ৪, ডুয়েলসেন্স (পিএস৫), এক্সবক্স সিরিজ এস, এক্সবক্স সিরিজ এক্স এবং এক্সবক্স ওয়ান কন্ট্রোলারের সঙ্গে খেলা যাবে৷

জানা গেছে, গুগল প্লে গেমসের সব গেম বিভাগে একটি নতুন সার্চ বার রয়েছে। ব্যবহারকারীরা সার্চ বারে গেমের নাম লিখতে পারেন। সার্চ রেজাল্টের সংখ্যা কমাতে ও দ্রুত গেমগুলো খুঁজে পেতে গেম ক্যাটাগরি ফিল্টারও রয়েছে।

গুগল জানিয়েছে, পিসি-এর জন্য প্লে গেমস-এ এখন ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যানস ও ক্ল্যাশ রয়্যালসহ ৩,০০০ টিরও বেশি গেম রয়েছে। উল্লেখিত এই দুটি সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল গেম সারা বিশ্বের লক্ষাধিক গেমাররা খেলে থাকেন। এই গেমগুলো এখন উইন্ডোজ ১০ ও উইন্ডোজ ১১ পিসিতে খেলা যাবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, ব্যবহারকারীরা গেমের অগ্রগতি মোবাইল ফোন, ডেস্কটপ এবং ক্রোমবুক সহ তাদের সমস্ত ডিভাইস জুড়ে সিঙ্কও করতে সক্ষম হবেন৷

প্রসঙ্গত, পিসির জন্য গুগল প্লে গেমস ২০২২ সালের জানুয়ারিতে প্রথম রিলিজ হয়। এটি সে সময়ে তিনটি দেশের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল পরে ধীরে ধীরে ভারতসহ আরও অনেক দেশে পরিষেবাটি প্রসারিত হয়। তবে সেবাটি এখনও বিটা  পর্যায়ে রয়েছে৷ এটি কবে বিটা টেস্টিং শেষ করবে, সে সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি৷

গুগল জানিয়েছে, প্লে গেমস চালানোর জন্য কমপক্ষে উইন্ডোজ-১০, ১০ জিবি এসএসডি স্টোরেজ স্পেস লাগবে। ইন্টেল ইউএইচডি গ্রাফিক্স ৬৩০ বা সমতুল্য জিপিইউ, ৪টি সিপিইউ ফিজিক্যাল কোর এবং ৮ জিবি র‍্যাম থাকতে হবে।

স্মার্টফোনে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে দ্রুত জায়গা খালি করা যায়।

ধারণক্ষমতার ৯০ শতাংশের বেশি অংশ পূর্ণ হয়ে গেলে স্মার্টফোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এর ফলে ফোন ধীরগতিতে কাজ করার পাশাপাশি হঠাৎ হ্যাং হয়ে যায়। ফোনের জায়গা খালি করে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। ফোনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ, তথ্য, ছবি, অডিও-ভিডিও ফাইল মুছে না ফেলে দ্রুত জায়গা খালি করার পদ্ধতি দেখে নেওয়া যাক।

ফোনের ধারণক্ষমতার তথ্য জানা

জায়গা খালির জন্য প্রথমেই ফোনে থাকা অ্যাপ, তথ্য, ছবি, অডিও-ভিডিও ফাইলগুলো কত জায়গা দখল করে রেখেছে, তা জানতে হবে। এ জন্য ফোনের সেটিংস অপশনে প্রবেশ করে ব্যাটারি অ্যান্ড ডিভাইস কেয়ার অপশনে প্রবেশ করতে হবে। এরপর স্টোরেজ অপশন নির্বাচন করলেই ফোনের ধারণক্ষমতার কত অংশ ব্যবহার হচ্ছে, তা জানা যাবে। ধারণক্ষমতার ৯০ শতাংশের বেশি তথ্য জমা থাকলে অপ্রয়োজনীয় ছবি বা ভিডিও মুছে ফেলতে হবে।

গুগল ফটোজ অ্যাপ ব্যবহার

জায়গা খালির জন্য প্রথমেই ফোনে থাকা তথ্য, ছবি, অডিও-ভিডিওগুলো গুগল ফটোজ অ্যাপে সংরক্ষণ করে সেগুলো ফোন থেকে মুছে ফেলতে হবে। এরপর গুগল ফটোজ অ্যাপের মেনুতে প্রবেশ করে ফ্রি আপ স্পেস অপশনে ট্যাপ করতে হবে।

গুগল ফাইলস অ্যাপ ব্যবহার

গুগল ফাইলস অ্যাপের মাধ্যমেও ফোনের জায়গা খালি করা সম্ভব। এ জন্য গুগল ফাইলস অ্যাপে প্রবেশ করে ‘ক্লিন’ অপশনে ট্যাপ করে জাংক ফাইল, বড় আকারের ফাইল ও পুরোনো স্ক্রিনশটগুলো মুছে ফেলতে হবে।

ক্যাশ মেমোরি মুছে ফেলা

ফোনে থাকা অ্যাপের ক্যাশ মেমোরি মুছে ফেলেও জায়গা খালি করা যায়। এ জন্য প্রথমে ফোনের সেটিংস অপশনে ট্যাপ করে অ্যাপস নির্বাচন করতে হবে। এরপর অ্যাপ অপশনে ট্যাপের পর স্টোরেজ নির্বাচন করে ক্লিয়ার ক্যাশ নির্বাচন করতে হবে।

যা–ই খেতে ইচ্ছে করুক, ঘরে বানিয়ে খান।

যেদিকে তাকাবেন, কেবল খরচ আর খরচ। মাছ, মাংস, শাকসবজি, তরিতরকারি—কোনো কিছুতে হাত দেওয়ার জো নেই! এদিকে চলছে উৎসবের মৌসুম, দুর্মূল্যের এই বাজারে মনের শখ মিটিয়ে কেনাকাটা যে করবেন, কীভাবে! খরচের খাতের কোনো শেষ নেই। চলুন গ্রো বিজ মাইন্ডসেট অনুসারে জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে কমাবেন দৈনন্দিন খরচ।

১২৮ বছর আগে ডুবে যাওয়া সেই জাহাজ

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সীমান্তে পাশাপাশি রয়েছে পাঁচটি হ্রদ। হ্রদগুলো ‘গ্রেট লেকস’ নামে পরিচিত। এসব হ্রদে আছে আগ্রাসী প্রজাতির একটি ঝিনুক। এই ঝিনুক নিয়ে তথ্যচিত্র নির্মাণ করছেন দুই চলচ্চিত্র নির্মাতা। তাঁরা তথ্যচিত্র নির্মাণ করতে গিয়ে হ্রদের তলদেশে খুঁজে পেয়েছেন একটি জাহাজ।

দুই চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেন ইভন ড্রেভার্ট ও জ্যাক মেলনিক। তাঁরা পাঁচটি হ্রদের একটি হুরনে আগ্রাসী কোয়াগা ঝিনুকের চিত্রধারণ করছিলেন। এ জন্য হ্রদের গভীরে পাঠিয়েছিলেন পানিতে চিত্রধারণ করতে পারে এমন ড্রোন। ড্রোনটির মাধ্যমে হ্রদের তলদেশে একটি জাহাজ দেখতে পান।

Scroll to Top