২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:১০

সর্বশেষ

সচিবালয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ছবি : সংগৃহীত

সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকার বলে কিছু নেই, জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, তপশিল ঘোষণার পর থেকে বর্তমান সরকারই নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করবে, তিনি কী করবেন, বর্তমান সরকারের আকার ছোট করবেন কি না।

আনিসুল হক বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রভিশন ফিরিয়ে আনার কোনো সুযোগ নেই। সংসদের চলতি অধিবেশনে এমন প্রস্তাব উত্থাপিত হবে না।

নির্বাচনকালীন সরকারে কারা থাকবেন জানালেন আইনমন্ত্রী রাস্তায় নয়, মাঠে সমাবেশ করতে বলছে ডিএমপি। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত প্রতিবার নির্বাচন নষ্ট করার চেষ্টা করেছে। এবারও তারা সেই চেষ্টাই করছে। কিন্তু এতে কোনো লাভ হবে না।

আনসারদের গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে বলে শোনা গেছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেছে যে, এসব কোনো ক্ষমতা আনসারকে দেওয়া হচ্ছে না। এ আইনটা নিয়ে যেসব বিষয়ে প্রশ্ন ছিল, সেসব ব্যাপার দেখা হয়েছে। এ নিয়ে পুলিশ বাহিনীর যে বক্তব্য, সেটাকে প্রাধান্য দিয়েই এ আইনটা পাস করা হবে।

এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছেন আগামী মাসের (নভেম্বর) মাঝামাঝি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)

অর্থ বিভাগ গত জুন, জুলাই ও আগস্টে ৩০০ কোটি টাকা চেয়ে তিন দফা চিঠি পাঠালেও ইপিবি সাড়া দেয়নি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তহবিলে এখন ৭০০ কোটি টাকা আছে। বিভিন্ন ব্যাংকে স্থায়ী আমানত (এফডিআর) আকারে জমা আছে এ টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের মতে, এ টাকা ইপিবির উদ্বৃত্ত টাকা। সে জন্য তারা গত জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসে ইপিবিকে তিন দফা চিঠি দিয়ে ৩০০ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে বলেছে।

কিন্তু ইপিবি কোনো টাকা দিতে রাজি নয়। ইপিবি জানায়, তারা নিজেরাই অর্থের সমস্যায় আছে। তাদেরও টাকা দরকার। তাই এখন রাষ্ট্রীয় কোষাগারে টাকা দেওয়ার বাস্তবতা নেই তাদের।

সরকার ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ‘স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলোর তহবিলের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান’ শীর্ষক আইন পাস করে।

আইন পাসের পর বিভিন্ন সংস্থা থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সংস্থাগুলোর কাছে গত জুন পর্যন্ত উদ্বৃত্ত অর্থ ছিল প্রায় পৌনে তিন লাখ কোটি টাকা।

অর্থ বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, তহবিলের অর্থ ব্যাংকে এফডিআর করার বিনিময়ে সব দপ্তরই একধরনের সুবিধা ভোগ করে থাকে। ফলে তাদের বেশির ভাগেরই প্রবণতা হচ্ছে টাকা জমা না দেওয়া। এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় কোষাগারে উদ্বৃত্ত টাকা জমা দেওয়ার ব্যাপারে কঠোর ভাষায় কোনো দপ্তরকেই কিছু বলা হয়নি। তবে প্রয়োজনে সরকার কঠোর হবে বলে জানা গেছে।

ইপিবি যে টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে টাকা জমা দেবে না, তা এখনো অর্থ বিভাগকে জানায়নি। সংস্থাটি তা জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে। বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষকে ১৭ অক্টোবর এক চিঠিতে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান জানান, চলতি ২০২৩–২৪ অর্থবছরে টাকা জমা না দেওয়া থেকে তারা অব্যাহতি চায়।

চিঠিতে ইপিবি বলেছে, ৭০০ কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে জমা থাকলেও নিজস্ব অর্থায়নে ইপিবি ভবন নির্মাণের একটি প্রকল্প চলছে। সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (আরডিপিপি) অনুযায়ী এ ভবন নির্মাণে ২৮০ কোটি, দ্বিতীয় আরডিপিপি অনুযায়ী বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার (বিসিএফইসি) বাস্তবায়নে ৫০২ কোটি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল ও পেনশনসংক্রান্ত ভর্তুকি তহবিলে ৮০ কোটি, অর্থাৎ সব মিলিয়ে ৮৬২ কোটি টাকা দরকার হবে।

সে বিবেচনায় ইপিবির তহবিলে ঘাটতি হতে পারে ১৬২ কোটি টাকা। বর্তমান বাস্তবতায় ৩০০ কোটি টাকা দিতে হলে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একই পরিমাণ অর্থ সরকারের কাছ থেকে ধার নিতে হবে, যা যৌক্তিক নয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ইপিবির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। টিপু মুনশির সভাপতিত্বে গত ৩০ আগস্ট অনুষ্ঠিত পর্ষদ সভায় ৩০০ কোটি টাকা দেওয়া না–দেওয়ার বিষয়ে দিকনির্দেশনা চাওয়া হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী তখন রাষ্ট্রীয় কোষাগারে টাকা জমা দেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য অর্থ বিভাগকে চিঠি লেখার জন্য ইপিবিকে নির্দেশ দেন।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান গতকাল মঙ্গলবার মুঠোফোনে বলেন, ‘আমরা আগে একবার ৩০০ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে দিয়েছি। এখন ইপিবির যেহেতু দুটি প্রকল্প চলমান সেহেতু রাষ্ট্রীয় কোষাগারে টাকা দেওয়া একটু কঠিন। দিলে পরে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আবার সরকার থেকে টাকা নিতে হবে।’

স্মার্টফোনে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে দ্রুত জায়গা খালি করা যায়।

ধারণক্ষমতার ৯০ শতাংশের বেশি অংশ পূর্ণ হয়ে গেলে স্মার্টফোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এর ফলে ফোন ধীরগতিতে কাজ করার পাশাপাশি হঠাৎ হ্যাং হয়ে যায়। ফোনের জায়গা খালি করে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। ফোনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ, তথ্য, ছবি, অডিও-ভিডিও ফাইল মুছে না ফেলে দ্রুত জায়গা খালি করার পদ্ধতি দেখে নেওয়া যাক।

ফোনের ধারণক্ষমতার তথ্য জানা

জায়গা খালির জন্য প্রথমেই ফোনে থাকা অ্যাপ, তথ্য, ছবি, অডিও-ভিডিও ফাইলগুলো কত জায়গা দখল করে রেখেছে, তা জানতে হবে। এ জন্য ফোনের সেটিংস অপশনে প্রবেশ করে ব্যাটারি অ্যান্ড ডিভাইস কেয়ার অপশনে প্রবেশ করতে হবে। এরপর স্টোরেজ অপশন নির্বাচন করলেই ফোনের ধারণক্ষমতার কত অংশ ব্যবহার হচ্ছে, তা জানা যাবে। ধারণক্ষমতার ৯০ শতাংশের বেশি তথ্য জমা থাকলে অপ্রয়োজনীয় ছবি বা ভিডিও মুছে ফেলতে হবে।

গুগল ফটোজ অ্যাপ ব্যবহার

জায়গা খালির জন্য প্রথমেই ফোনে থাকা তথ্য, ছবি, অডিও-ভিডিওগুলো গুগল ফটোজ অ্যাপে সংরক্ষণ করে সেগুলো ফোন থেকে মুছে ফেলতে হবে। এরপর গুগল ফটোজ অ্যাপের মেনুতে প্রবেশ করে ফ্রি আপ স্পেস অপশনে ট্যাপ করতে হবে।

গুগল ফাইলস অ্যাপ ব্যবহার

গুগল ফাইলস অ্যাপের মাধ্যমেও ফোনের জায়গা খালি করা সম্ভব। এ জন্য গুগল ফাইলস অ্যাপে প্রবেশ করে ‘ক্লিন’ অপশনে ট্যাপ করে জাংক ফাইল, বড় আকারের ফাইল ও পুরোনো স্ক্রিনশটগুলো মুছে ফেলতে হবে।

ক্যাশ মেমোরি মুছে ফেলা

ফোনে থাকা অ্যাপের ক্যাশ মেমোরি মুছে ফেলেও জায়গা খালি করা যায়। এ জন্য প্রথমে ফোনের সেটিংস অপশনে ট্যাপ করে অ্যাপস নির্বাচন করতে হবে। এরপর অ্যাপ অপশনে ট্যাপের পর স্টোরেজ নির্বাচন করে ক্লিয়ার ক্যাশ নির্বাচন করতে হবে।

জরায়ু ক্যানসার প্রতিরোধে টিকা বেশ কার্যকর

নারীরা যেসব ক্যানসারে বেশি আক্রান্ত হন, তার মধ্যে জরায়ুমুখের ক্যানসার অন্যতম। জরায়ুর সবচেয়ে নিচের অংশের নাম সারভিক্স বা জরায়ুমুখ, যা জরায়ু ও প্রসবের পথের মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত। নারীর জননাঙ্গের বিভিন্ন অংশের মধ্যে এই অংশে ক্যানসারের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।

অতিরিক্ত সাদা স্রাব, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, অতিরিক্ত অথবা অনিয়মিত রক্তস্রাব, সহবাসের পর রক্তপাত, মাসিক পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার পর আবার রক্তপাত, কোমর, তলপেট বা ঊরুতে ব্যথা ইত্যাদি জরায়ুমুখে ক্যানসারের উপসর্গ।

অল্প বয়সে যাঁরা অবাধ যৌনাচারে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন বা যাঁদের অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে যায়, তাঁদের এই ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি থাকে। একাধিক পুরুষ সঙ্গী থাকা বা পুরুষের একাধিক নারী সঙ্গী থাকা কিংবা ঘন ঘন সন্তান নিলে জরায়ুমুখে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

স্বাভাবিক কোষ থেকে জরায়ুমুখের ক্যানসার হতে ১০ থেকে ১৫ বছর সময় লাগে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসার মাধ্যমে শতভাগ রোগীই ভালো হয়ে যেতে পারেন। অবশ্য রোগের শুরুতে উপসর্গ অল্পমাত্রায় থাকায় অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চান না। দেরিতে শনাক্ত হলে রোগ ততক্ষণে ছড়িয়ে পড়ে। নিয়মিত স্ক্রিনিং বা পরীক্ষা করানোর মাধ্যমে জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব।

এই রোগ থেকে মুক্ত থাকতে যেসব নারীর বয়স ৩০ বছরের বেশি (বাল্যবিবাহ হলে ২৫-এর বেশি), তাঁদের তিন বছর পরপর স্ত্রীরোগ চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে জরায়ুমুখ পরীক্ষা করানো উচিত। ভায়া (ভিআইএ), প্যাপ স্মেয়ার ইত্যাদি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়েই রোগটি শনাক্ত করা সম্ভব।

ইতিমধ্যে জরায়ুমুখে ক্যানসার প্রতিরোধে অতি কার্যকর টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে দেশের স্কুলগামী কিশোরীদের জন্য এই টিকাদান প্রকল্প শুরু করেছে। ১০ বছর বা তার বেশি বয়সী সব মেয়ে ও নারী জরায়ুমুখে ক্যানসার প্রতিরোধে টিকা নিতে পারেন। এই টিকার তিনটি ডোজ নিতে হয়। প্রথম ডোজ যেকোনো দিন নেওয়া যায়। দ্বিতীয় ডোজ প্রথম ডোজের এক মাস পর এবং তৃতীয় ডোজ প্রথম ডোজের ছয় মাস পর।

এই টিকা জরায়ুমুখে ক্যানসার প্রতিরোধে সক্ষম। জরায়ুমুখে ক্যানসার প্রারম্ভিক পর্যায়ে শনাক্ত করার পদ্ধতি বিভিন্ন দেশের হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে আছে। যাঁদের ঝুঁকি রয়েছে, তাঁরা বছরে একবার বা নেগেটিভ ক্ষেত্রে তিন বছর পরপর এই পরীক্ষা করবেন।

আমাদের দেশে জরায়ুমুখে ক্যানসারের হার বেশি। তাই প্রত্যেক নারীকে এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। নিয়মিত পরীক্ষা ও টিকা নেওয়ার মাধ্যমে সহজেই এই রোগ প্রতিহত করা সম্ভব।

  • অধ্যাপক ডা. মো. ইয়াকুব আলী, বিভাগীয় প্রধান, অনকোলজি বিভাগ, এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, সাভার, ঢাকা
প্রীতম হাসান। ছবি: শিল্পীর সৌজন্যে

‘ঢাকায় বেড়ে উঠলেও সব সময়ই লোকগান আমাকে টানত। আমাদের এই ছোট দেশে বিচিত্র লোকগান আছে। সেসব গানকে আধুনিকভাবে তুলে ধরতে চাই,’ প্রথম আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলছিলেন তরুণ সংগীতশিল্পী, সংগীত পরিচালক ও অভিনয়শিল্পী প্রীতম হাসান।
কোক স্টুডিও বাংলার মঞ্চে ফজলু মাঝির ‘দেওরা’-কে তুলে এনেছেন প্রীতম; সংগীত পরিচালনার পাশাপাশি এই লোকগানে কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি। গানটি প্রকাশের পাঁচ মাসের ব্যবধানে ইউটিউব ও স্পটিফাইয়ে প্রায় সাত কোটি বার শোনা হয়েছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ছাপিয়ে গানটি মানুষের মুখে মুখেও ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রীতম হাসান
প্রীতম হাসান। ছবি: কবির হোসেন

লোকগানের সঙ্গে আধুনিক গানেও নিজেকে শাণিত করছেন প্রীতম হাসান। ‘লোকাল বাস’, ‘জাদুকর’, ‘বেয়াইনসাব’, ‘গার্লফ্রেন্ডের বিয়া’র মতো জনপ্রিয় গানে পাওয়া গেছে তাঁকে।
প্রায় আট বছরের ক্যারিয়ারে গানের ঝুলিকে সমৃদ্ধ করে প্রথমবারের মতো একক কনসার্টে আসছেন প্রীতম। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় ‘দ্য নাইট অব প্রীতম হাসান’ কনসার্ট আয়োজন করছে ফনিক্স কমিউনিকেশন।

প্রীতমের সঙ্গে কথা হয় গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে। প্রথম আলোকে প্রীতম জানান, দু-তিন বছর ধরে এই কনসার্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করছেন তাঁরা। নিজের গান নিয়ে অনুরাগীদের সামনে আসছেন তিনি। প্রীতম বলেন, ‘কনসার্টে আমরা শ্রোতাদের একটা অভিজ্ঞতা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আর দশটা কনসার্টের চেয়ে এটা আলাদা হবে। যাঁদের হাত ধরে আমি এত দূর এসেছি, যাঁদের গান শুনে আমি বড় হয়েছি, তাঁদের নিয়েই এই কনসার্ট।’
এতে প্রীতম হাসান তো গাইবেনই। তাঁর জন্য গাইবেন পপ গানের কিংবদন্তি শিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ, মমতাজ, রাফা, অর্ণব, হাবিব ওয়াহিদ, আরমীন মুসা, জেফার, মাশা ইসলাম, ব্ল্যাকজ্যাং, ইসলাম উদ্দিন পলাকার, ফজলু মাঝি ও র‍্যাপার সাফায়েত।
কনসার্টে পপ ও রক—দুই ঘরানার সংগীতের যোগসূত্র থাকছে। ‘আমি বহু রক গান শুনেছি। বিশেষ করে আমি রাফা ভাইয়ের গানের ফ্যান। আর পপ গানের কিংবদন্তি ফেরদৌস ওয়াহিদ আঙ্কেল, হাবিব ওয়াহিদ ভাই, আর্টিস্টিক শিল্পী হিসেবে অর্ণব ভাইকে আমি পেয়েছি। ভিন্ন ভিন্ন ঘরানার শিল্পীরা থাকছেন; আমার গানগুলোর নতুন ভার্সন নিয়ে আসছি,’ বলেন প্রীতম হাসান।

প্রীতম হাসান
প্রীতম হাসান। ছবি: শিল্পীর সৌজন্যে

রক কনসার্টের উন্মাদনার ভিড়ে হালে পপ গানের কনসার্ট খুব একটা দেখা যায় না। অনেকের মতো প্রীতমও মানছেন, রক কনসার্টের অভিজ্ঞতা ও আনন্দের মাত্রাটা ভিন্ন রকমের হয়। রক কনসার্ট দেখেই পপ কনসার্টের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন তিনি। ভবিষ্যতে প্রতিবছর আরও বড় পরিসরে পপ কনসার্ট আয়োজনের ইচ্ছা রয়েছে প্রীতমের।
কার গান শোনেন ও পছন্দ করেন প্রীতম—এমন প্রশ্নের জবাবে হাবিব, রাফা, অর্ণব, বালাম, তাহসানের নাম নিয়েছেন তিনি। এর বাইরে তরুণদের মধ্যে মোহন শরীফ, আহমেদ হাসান সানী, জেফার, মাশা ইসলামের গান শোনেন তিনি।

প্রীতম হাসান
প্রীতম হাসান। ছবি: শিল্পীর সৌজন্যে

অভিনয়কেই এগিয়ে রাখলেন
সংগীতের সঙ্গে পায়ে পায়ে অভিনয়টাও চালিয়ে যাচ্ছেন প্রীতম হাসান। অভিনয়শিল্পী হিসেবে সমালোচকদের স্বীকৃতিও মিলেছে তাঁর। চরকির সীমিত দৈর্ঘ্যের কাহিনিচিত্র আড়াল-এ একজন মুয়াজ্জিনের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকমহলে আলোচিত হন তিনি। এতে অভিনয়ের জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার ২০২২–এ সেরা অভিনেতার পুরস্কারও পেয়েছেন প্রীতম।
‘জাদুকর’, ‘লোকাল বাস’-এর মতো বেশ কয়েকটি গানের ভিডিও চিত্রে মডেল হিসেবে দেখা গেছে তাঁকে। নুহাশ হুমায়ূনের ৭০০ টাকা, আদনান আল রাজীবের ইউটিউমারসহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে চরকির সিনেমা কাছের মানুষ দূরে থুইয়া; নির্মাতা শিহাব শাহীনের এই সিনেমায় প্রীতমের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিণ।
গান ও অভিনয়—দুটি একঙ্গে চালিয়ে যান কীভাবে? ‘গাওয়া ও সংগীত পরিচালনা একসঙ্গেই করি। গান করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেলে অভিনয় করি আবার অভিনয় করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেলে গান করি। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় শিফট করি, এটাই আমার ভ্যাকেশন,’ বলেন প্রীতম।
দুইয়ের মধ্যে কোনটাকে এগিয়ে রাখবেন? প্রীতম বলেন, ‘অভিনেতা প্রীতমকে একটু এগিয়ে রাখতে চাই। সামনে ভালো সুযোগ ছাড়া গাওয়া ও সংগীত পরিচালনা করতে চাই না।’

বিচারক ও প্রকল্প প্রধানের সঙ্গে প্রতিযোগিরা। ছবি: চ্যানেল আইয়ের সৌজন্যে

দেশের অন্যতম রিয়েলিটি শো ‘চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ-২০২৩’–এর চূড়ান্ত পর্বে উঠেছেন ১৩ প্রতিযোগী। এর মধ্য থেকে বাছাই করা হবে সেরা তিনজনকে। পরবর্তী সময় এই প্রতিযোগীদের নিয়ে শুরু হবে চূড়ান্ত আসর। এবারের আসরে দেশ-বিদেশের ৩৫ হাজার প্রতিযোগী অংশ নেন।

এবারের আসরে বিশেষ বিচারক হিসেবে রয়েছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। এ ছাড়া প্রধান দুই বিচারকের মধ্যে রয়েছেন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও সংগীতশিল্পী সামিনা চৌধুরী। দর্শকদের ভোটে ও বিচারকদের রায়ে চূড়ান্ত পর্বে যাচ্ছেন সিফাত, টুশি, আলাউদ্দিন, মাইশা, রনি, আরাফাত, মহারাজা, সামির, রিফাত, শুভ, জারিন, অর্চি ও পিজু।

কোরীয় অভিনেতা আন বো হিয়ান ও ব্ল্যাক পিঙ্কের গায়িকা জিসু। ছবি: আইএমডিবি

কোরীয় অভিনেতা আন বো হিয়ানের সঙ্গে ব্ল্যাক পিঙ্ক তারকা জিসুর প্রেমের সম্পর্কে ইতি ঘটেছে। প্রেমের সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসার দুই মাসের ব্যবধানে বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন তাঁরা। খবর ইয়োনহ্যাপের

তবে বিচ্ছেদের কারণ এখনো জানা যায়নি। চলতি বছরের আগস্টে তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মধ্যে দুজনের এজেন্সি প্রেমের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল। তার মাস দুয়েক পরই বিচ্ছেদের খবর এল।

জিসু
জিসু। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ক্যারিয়ারের শুরুতে অভিনয়ে পাওয়া গেছে জিসুকে; ‘দ্য প্রডিউসারস’ সিরিজে ক্যামিও চরিত্রে তাঁকে দেখা গেছে। পরের বছর ২০১৬ সালে তাঁর গানের ক্যারিয়ার শুরু হয়।
এ বছর মার্চে ব্ল্যাক পিঙ্কের বাইরে জিসুর প্রথম একক অ্যালবাম ‘মি’ মুক্তি পায়। মাত্র দুই দিনের কম সময়ে এটি এক মিলিয়নের বেশি বিক্রি হয়। বেস্ট সেলিং অ্যালবামের তালিকায় জায়গা করে নেয়।

অভিনেতা ও মডেল আন বো হিয়ান
অভিনেতা ও মডেল আন বো হিয়ান। ছবি: আইএমডিবি

কোরীয় অভিনেতা, মডেল ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব আন বো হিয়ান বক্সিংয়ে দক্ষ হলেও ইচ্ছা ছিল মডেল হওয়ার। ১৮ বছর বয়সেই মডেলিংয়ে নাম লেখান। ২০১৪ সাল থেকে তিনি অভিনয় শুরু করেছেন।
‘ডিসেনড্যান্টস অব দ্য সান’, ‘হার প্রাইভেট লাইফ’, ‘মাই নেম’ সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া ‘সি ইউ ইন মাই নাইনটিন্থ লাইফ’সহ বেশ কিছু কাজে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

আশিকুজ্জামান টুলু, সামিনা চৌধুরী ও আসিফ ইকবাল

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় কানাডাপ্রবাসী সংগীতশিল্পী আশিকুজ্জামান টুলু। প্রায় নতুন এবং পুরোনো ছবি শেয়ার করেন। বিভিন্ন বিষয়ে স্মৃতিচারণা করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি কণ্ঠশিল্পী সামিনা চৌধুরীর একটি গান ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। গানটি গল্প এবং নিজের অনুভূতি জানিয়েছেন।
ফেসবুকে আশিকুজ্জামান টুলু লিখেছেন, ‘যত দূর মনে পড়ে, যেদিন গানটা সামিনা এসে ভোকাল দিয়েছিল সাউন্ড গার্ডেন স্টুডিওতে। সম্ভবত গান টেক শেষ হওয়ার পর ও কেঁদেছিল। আসলে একজন প্রকৃত শিল্পী যখন শিল্পকর্মের সঙ্গে একেবারে মিশে যান, তখন নিজস্ব অস্তিত্ব কোথায় হারিয়ে যায় তা নিজেই বুঝতে পারে না। এটাই শিল্পের সঙ্গে একাত্মতা, এটাই আত্মাকে ছুঁয়ে যাওয়া বলে।’ স্মৃতিচারণার পাশাপাশি গানের কয়েকটি লাইন শেয়ার করে নিজের অনুভূতিও প্রকাশ করেছেন টুলু।

ফেরদৌস বাপ্পী ও ফারহানা নিশো

অভিনয়, সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি নিয়ে নানা ধরনের রিয়েলিটি শোর আয়োজন করেছে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো। এসব আয়োজন থেকে উঠে আসা প্রতিযোগীদের অনেকে এরই মধ্যে প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। সে ধারাবাহিকতায় এবার যুক্ত হচ্ছে উপস্থাপক খোঁজার রিয়েলিটি শো। ‘আলো ছড়াবে উপস্থাপনায়’ শিরোনামের আয়োজনটি প্রচারিত হবে এনটিভিতে।

এ আয়োজনে উপস্থাপক খুঁজে বের করার প্রধান কাজটি করবেন দেশের জনপ্রিয় দুই উপস্থাপক ফেরদৌস বাপ্পী ও ফারহানা নিশো। দুজনই উপস্থাপনায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন।

বলেশ্বরের ভাঙনে বাগেরহাটের শরণখোলায় ফসলি জমি বিলীন হয়েছে
শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ বেড়িবাঁধের গাবতলা এলাকায় মূল বাঁধের নিচে ১০০ ফুট এলাকার বেশ কিছু সিসি ব্লকও নদে বিলীন হয়ে গেছে।
Scroll to Top