১১ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৯:৫০

ওসমানী নগরের মূর্তিমান আতঙ্ক আনহার মিয়া!

বিশেষ প্রতিনিধি

বিশেষ প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৪ ৭:৩৫ অপরাহ্ণ

সিলেটের ওসমানী নগরের ভেরুখলা গ্রামের আনহার মিয়া। স্থানীয়ভাবে ঠিকাদারি করলেও এখন তিনি ওসমানী নগরের মূর্তিমান আতঙ্ক। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন তিনি। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ভেরুখলা গ্রামের সাধারণ মানুষ। অবৈধ অস্ত্র দিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁসানো। থানা পুলিশের যোগসাজশে গ্রামে একপক্ষের সঙ্গে অন্য পক্ষের বিরোধ সৃষ্টি করে মালার নামে কমিশন বাণিজ্য, সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে অন্যায়-উৎপীড়ণ,জুলুম,অন্যের জায়গা-জমি দখল করে করে ওসমানী নগরের গোয়ালা বাজার ইউনিয়নে ত্র্যাশের রাজত্ব কায়েম করছে আনহার মিয়া। তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করলেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। ফলে ভয়ে আতঙ্কে নীরবে আনহারের সব অন্যায় অত্যাচার সহ্য করছে ভুক্তভোগীরা। ভূক্তোভোগীদের অভিযোগ, স্থানীয় প্রতিনিধি ও থানায় বারবার অভিযোগ করেও তারা কোনো সুফল পাচ্ছেন না। থানা পুলিশ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে সখ্যতা থাকায় তার আনহারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। কেউ আনহারের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই নিজের সংগ্রহে থাকা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়। আনহারের বাড়িতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালালে অনেক অবৈধ অস্ত্র পাওয়া যাবে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। ভুক্তভোগীরা জানান, অস্ত্র দিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁসানো হলেও পুলিশ তদন্ত করে দেখছে না অস্ত্রগুলো কোথা থেকে আসছে। তারা বলেছেন, আনহারের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যা চেষ্টাসহ ৭/৮টি মামলা ও বেশ কিছু জিডি রয়েছে। থানা আওয়ামী লীগ নেতদের ছত্রছায়ায় থাকায় পুলিশ কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয় না। জানা গেছে, সম্প্রতি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভেরুখলা গ্রামের সুদুমিয়ার ছেলে শান্তকে রাস্তায় ফেলে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। আনহার মিয়া স্থানীয় নেতাদের নিয়ে শান্তর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি দামা-চাপা দিয়ে ফেলে। অভিযোগ রয়েছে, আনহার মিয়া ঠিকাদারের সুবাদে বেশ কিছু শ্রমিককে দিয়ে নিজের একটি বাহিনী করেছে। কারও সাথে কিছু হলেই বা কোনো বিষয় নিয়ে তর্ক হলেই সেই বাহিনী দিয়ে বাড়িতে হামলা ভাঙচুর চালায় আনহার গংরা। স্থানীয় ভুক্তভোগী আব্দুল ছালিক অভিযোগ করে বলেন, আমি একজন প্রবাসী আমাদের গ্রামের মসজিদ তথা ভেরুখলা জামে মসজিদ তৈরির কাজের জন্য গ্রামে গিয়েছিলাম। আমার কাছ থেকে মসজিদ তৈরির জন্য আনহার মিয়া মোটা অঙ্কের টাকা নেয় কিন্তু মসজিদ কবে তৈরি করবে এই বিষয়ে বিস্তারিত শুক্রবার জুম্মার নামাজ পরে আলাপ করার জন্য মুরুব্বিয়ান ব্যক্তিদেরকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে আনহার। একপযায়ে আমার উপর হামলা করে আনহার ও তার ভাইয়েরা। আরেক ভুক্তভোগী মৃত ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে ফজলু মিয়াকে আনহার মিয়া গং আনুমানিক ৫ থেকে ৬ বছর পূর্বে হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে আক্রমন করিলে ফজলু মিয়া প্রান বাচানোর জন্য বাড়ির দিকে চুটে আসলে পিছনে আনহার মিয়া দাড়ালো চাপাতি এবং দেশিয় অস্ত্র দিয়ে ফজলু মিয়ার বসত-ঘরে আক্রমণ চালায় উক্ত হামলার শিকার এবং একপর্যায়ে ফজলু মিয়া নিজ ঘরে হার্ট এটাক করে মারা যায়। স্থানিয় কতিপয় নেতাদের প্রভাব বিস্থার এবং উক্ত নেতাদের বাধা বিপত্তির কারনে আইনি সহায়তা থেকে বঞ্জিত হয়ে বিনা পুস্ট মার্ডামে কবর দিতে হয়। পরবর্তিতে ফজলু মিয়ার পরিবার যাতে থানা ও কোর্টে গিয়ে মামলা করতে না পারে এজন্য মৃত ফজলু মিয়ার ছোট ভাই উস্তার মিয়াকে মিথ্যা অস্ত্র মামলা দিয়ে জেলে ঢুকিয়ে দেয় আনহার মিয়া। যাতে ফজলু মিয়ার মৃত্যুর আসল রহস্য বা কারন উদঘাটন না হয়। উক্ত আনহার মিয়ার অস্ত্রের উৎস আজ অবদি থানা খোজ করে নাই। আমাদের কাছ থেকে জমির ফসল নেয়ার জন্য আমাদেরকে হুমকি দেয়। ধানের মৌসুমে আমাদের কে ক্ষেতে না যাওয়ার জন্য তার ভাইদেরকে দিয়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আনহার গং। ওই এলাকার মুরুব্বি আব্দুল হান্নান নামে বৃদ্ধ বলেন, আনহার মিয়া তার চাচাতো ভাইদের দিয়ে হুমকি দিয়েছে, আমি যাতে আমার ফসলি জমিতে হালচাষ না করি। আমি প্রতিবাদ জানালে, তিন তিন বার আমার উপর আনহার মিয়া তার বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় জিডি করলে আনহার মিয়া বলে এইসব করে লাভ নেই থানা আর পুলিশ আমার কেনা, আমার কথায় উট-বস করে পুলিশ। আমি এখনও সুষ্ঠু বিচার পাইনি। শুধু এসবই নয়, ভেরুখলা জামে মসজিদের ক্যাশ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগও রয়েছে আনহারের বিরুদ্ধে। আব্দুল হক নামে এক ব্যক্তি জানান, স্থানীয়রা তাকে মসজিদের ক্যাশের দায়িত্ব দেয়। আনহারকে ক্যাশের দায়িত্ব না দেওয়ায় ঢাকা ব্যাংকের গোয়ালা বাজার শাখার সামনে থেকে ব্যাংকে প্রবেশ করা সময় ৬০ হাজার ৩৪৫টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায় আনহার মিয়া ও তার ভাই খালিছ মিয়া। স্থানীয় দোকান থেকে নিত্যপণ্য কিনে টাকা না দেওয়া ও নারীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগও রয়েছে আনহারের বিরুদ্ধে। রাবেয়া খাতুন নামে এক ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমাকে আনহার মিয়া অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে সারা না দেওয়ায় আমার বাড়িতে হামলা ভাংচুর-লুটপাট করে  আনহার মিয়া ও তার বাহিনী। এ নিয়ে স্থানীয়দের কাছে বিচার দিলে ভয়ে সবাই এড়িয়ে যাচ্ছে। এই গ্রামের বড় থেকে ছোট নারী-পুরুষ সবাই চায় যে আনহারের অন্যায়-জুলুম থেকে রেহাই পেতে। সবাই আনহারের একটা সুষ্ঠু বিচার চায়।

মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করাও আনহার মিয়ার এক ধরনের হাতিয়ার। সম্প্রতি ভেরুখলার রফু মিয়াকে দিয়ে একটি মিথ্যা মামলা দিয়েছে আনহার মিয়া। তার মদদে রফু মিয়া মামলাটি করেন। এতে আনহারের সঙ্গে যাদের বিরোধ বা মামলা রয়েছে তাদের আসামি করা হয়েছে। গত ২৪ জানুয়ারি সিলেটের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দণ্ডবিধি ৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৫০৬ ধারায় মামলাটি করেন মো. রফু মিয়া। এতে আসামি করা হয় একই গ্রামের ইসকন্দর আলীর ছেলে সুমন মিয়া, আব্দুল মন্নানের ছেলে মিন্টু,মৃত মিয়াধন উল্ল্যার ছেলে আব্দুন নুর ও আব্দুল হান্নানকে।

জানা গেছে, সুমন মিয়ার কেনা জমিতে গেট নির্মাণের বাদা দিয়ে আসছে আনহার। গত এক বছর ধরে থানা পুলিশের সহায়তা গেট নির্মাণ করতে পারেনি। ঘটনার দিন বুধবার ওসমানী নগর থানার ওসি রাশেদুল হক একজন দারোগাসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এ সময় আনহার উপস্থিত না থেকে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি অর্ধশত সন্ত্রাসী নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে। ওসি ঘটনা স্থল পরিদর্শন শেষে আনহার ও সুমন মিয়াকে ওই দিন বিকালে থানায় উপস্থিত থাকার কথা বলে বিদায় নেত প্রস্তুত হন। এসময় বিল্লাল গালিগালাজ করে আব্দুল নূরকে। আব্দুল নুর একজন ব্রিটিশ পাসপোর্ট দারি প্রবিন মুরুব্বি উনার বয়স আশির কাছাকাছি ঊনি লাঠী ভর দিয়ে চলাফেরা করেন। এক পর্যায়ে বিল্লাল উনার হাতের লাটি জোরপূর্বক করে ছিনিয়ে নেয়ার চেস্টা করে। দস্তাদস্তির একপর্যায়ে বিল্লাল সামান্য আঘাত পায়। এর প্রত্যক্ষদর্শী থানার ওসি নিজেই এবং প্রশাসনের কর্ম-কর্তা। উক্ত ঘটনা ভিন্ন খ্যাতে নেয়ার জন্য আনহার মিয়া তার চাচাত ভাই রফু মিয়াকে দিয়ে চিফ জুডিশিয়াল আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে প্রবাসি সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা নং ২৪। মামলায় উল্লেখ করে ১ নম্বর আসামি সুমন মিয়া তার হাতে দেশিয় অস্ত্র দা দিয়ে বিলালকে মাথায় আঘাত করে এই ঘটনার প্রত্যক্ক দর্শি উক্ত ওসমানি নগর থানা অসি ও থানার কর্ম কর্তা।

উল্লেখ্য, থাকা আবশ্যক রফু মিয়া মিয়া বিগত ১৮-৫-২৩ ইং আরেকটি মিথ্যা মামলা সুমন মিয়ার উপর দায়ের করে। মামালা বিবরনিতে লেখা যে সুমন মিয়া রফু মিয়াকে হাতে থাকা রান্দা দিয়ে গুরুতর জখম করে। দুঃখের বিশয় ১৩-০৫-২৩ ইং সুমন মিয়া যুক্ত্ররাজ্য চলে যান। তাই সসম্পুর্ণ মিথ্যা বর্ণনায় হয়রানি করার জন্য উক্ত মামলা দায়ের করিয়াছেন যাহা খারিজ যোগ্য তদ্রুপ ১৭-০১-২৪ আরেকটি মিথ্যা মামলা সুমন মিয়ার উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে এঘটনার পরে সুমন মিয়াদের বাড়িতে হামলা করতে আনহার বাহিনী লাঠি শোটা নিয়ে জড় হলে ওসি, তার গাড়ি ড্রাইভার এবং বডিগার্ড মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করেন।

এ বিষয়ে মিন্টু মিয়া বলেন, আনহার প্রবাসী সুমন মিয়ার জায়গা দখল করার জন্য মূলত এমন একটা ঘটনা ঘটাতে চেয়েছিল। তার বৈধ কোন কাগজপত্র না থাকা সত্যে আনহার সুমন মিয়ার কবর স্থানে গেট করতে দেয়নি। এছাড়াও গত ২০১২ সালে জুনে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়ে মামলা করেছিলেন আনহার। কিন্তু পরবর্তীতে সেই মামলা কোট টিকেনি। আনহার এ এলাকায় যা খুশি তাই করে আসছে অদৃশ্য এক শক্তির ইশারায় যাদের কাছে থানা পুলিশও অসহায়।

হাজী ইসকন্দর আলী ছেলে সুমন মিয়া জানান, তিনি একজন প্রবাসী। তিনি বলেন, আমাদের কবর স্থানের জায়গা বাড়ানোর জন্য আমি উক্ত কবর স্থানের সামনের জায়গা আমাদের গ্রামের উস্তার আলীর কাছ থেকে ক্রয় করেছি। যেখানে আমার বাবার কবর রয়েছে। উক্ত জায়গাতে আমি বাউন্ডারি দিয়ে জায়গা শনাক্তকরণের শেষ পর্যায়ে আনহার মিয়া এসে বাধা দেয় এবং বলে ওই জায়গার মালিক নাকি তার চাচা। আমার লোকজন কাজ করলে ওদের উপর হামলা করে আমার বাউন্ডারির ঠিকাদার দুলাল মিয়া গুরুতর আহত হয়। যার কারণে আমার বাউন্ডারির কাজ এখন ও সম্পন্ন হয়নি। অথচ রফু মিয়াকে দিয়ে উল্টো আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে আনহার।

অভিযোগ: গত বছরের ৩০ আগস্ট ওসমানীনগরের ভেরুকলা গ্রামের আব্দুল হান্নান বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আনহার মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে যাওয়ার সময় তার পথরোধ করে মারপিট করে এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। এ ঘটনায় পরের দিন ১ সেপ্টেম্বর ওসমানীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন (জিডি) ভুক্তভোগী। যার নম্বর-৪০। জিডির বিবরণ থেকে জানা গেছে, মুরাদপুর মেজার জে. এল নং-২০, খতিয়ান নং-এসএ ৭২, বিএস-১৮৪, দাগ নং-৫৪৬ এ ০ দশমিক ৫ শতক জমিকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী আব্দুল হান্নানের সঙ্গে আনহারের বিরোধ চলছে। বর্তমানে এ সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। ওই মামলার ধার্য তারিখে যাতে আব্দুল হান্নান আদালতে না যান সেজন্য তাকে মারধরও করা হয় এবং প্রাণ নাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়।

ভূমি দস্যুতার অভিযোগও রয়েছে আনহার মিয়ার বিরুদ্ধে। গত বছরের ২৬ এপ্রিল ভেরুকলার উস্তার আলির ৬ দশমিক ৭৮ শতক জমি ক্রয় করেন একই গ্রামের সুমন মিয়া। এছাড়া ওই বছরের ১০ আগস্ট একই গ্রামের সুফি মিয়ার ৩ দশমিক ৩৯ শতক জমি ক্রয় করেন তিনি। এই ১০ দশমিক ১৭ শতাংশ জমি নামজারি করে ভোগ দখলে আছেন সুমন। কিন্তু ওই জমিতে চোখ পড়েছে ভূমি দস্যূ আনহারের। জমিতে বাউন্ডারী গেট নির্মাণ করতে গেলে আনহার বাধা দেন। প্রতিবাদ করলে বাড়িতে এসে হামলা মারধর করে আনহার গংরা। এ ঘটনায় ওসমানীনগর থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ভুক্তভোগী সুমন জানান, তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। ভয় শঙ্কায় দিন কাটছে তার। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার স্থানীয়ভাবে বিচার সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কোনো সুরাহা না হওয়ায় আইনের আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল মেলেনি।

ভূমিদস্যু আনহার হামলা ভাঙচুর লুটপাট জমি দখল করেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ম্যানেজ করে মামলার আসামি থেকে নাম তুলে নেন। ফলে তার অপরাধের বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ কিংবা মামলা করলেও পরবর্তীতে অভিযোগ পত্রে আর নাম থাকেনা আনহার মিয়ার। জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ২০২২ সালের ৩ মার্চ ভেরুখলা গ্রামে তোফায়েল আহমদ শুভর বাড়িতে হামলা ভাঙচুর চালায় আনহার ও তার লোকেরা। এতে তোফায়েলের মা ছোটভাইসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় পরের দিন স্থানীয় ওসমানীনগর থানায় একটি মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবার। যার মামলা নং-৩। মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। তবে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, আদালত থেকে মামলাটি পিবিআইকে তদন্ত করতে দেওয়া হয়। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা মামলার ১ নম্বর আসামিকে বাদ দিয়ে দিয়েছেন।

ওই গ্রামের প্রবিন মুরুব্বি আব্দুল কাদির জানান, তার মুদি দোকান থেকে আনহার মিয়া বাকিতে মালামাল ক্রয় করে। কিন্তু যখনই বকেয়া টাকা চাওয়া হয় তখন বলে পরে দিবো। একদিন আমার ছেলে দোকানে ছিল। সে আনহারকে বকেয়া টাকা চাইলে আমার ছেলেকে মারধর করে আমার দোকান লুটপাট করে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন

Scroll to Top